পোস্টগুলি

সত্য সদা সুন্দর

======================কাজী শেখ সাদী যাহা কিছু সুন্দর চিত্ত বিমলকর। তাহাই প্রদর্শনীয় ভূবন মনোহর। নাই বা যদি দেখিল কেউ কি মুল্য তাতে? সুন্দরের তো জন্মই বৃথা এই ধরনীতে। পূষ্প সুন্দর তখন যদি জীব দেখে।  তখনি মিষ্টি মধু, যবে লোকে চেখে।  সৌরভ তখনি সার্থক, যবে সুরভিত। আঁধারের অস্তিত্ব প্রমানেই ধরা আলোকিত। দিন যায় দিন আসে কত মুখ পাশে আসে, ক্ষনিক শান্তির আশে কেটে পড়ে অবশেষে। কেউ নয় চিরস্থায়ী, প্রকৃতি তাতে ঈষৎ দায়ী। পথ চলিতে পারিযায়ী সবাই আমরা ক্ষনস্থায়ী। কেউ বলে এই হল নিয়তির লিখন,  আসলে নিয়তি নয়, প্রকৃতির নিয়ম। একি রচিলে কবি অমৃত বচনে। দেখি পড়ি আর ভাবি মনে মনে।  ভরা পুকুর মাঝে একক মালিকানা যার, তারে দিলেম একফোটা শিশির উপহার। দুর্গার কল্যানে যেমন অসুর পায় পুজা, তদ্রুপ ভ্রমে তুমিও চরণ সঙ্গী দশভূজা।

বন্ধুর পথ পরিক্রমা

বন্ধুর পথ পরিক্রমা জীবনের এক তৃতীয়াংশ কাটে  অনেক ইচ্ছা পূরনের আশায়। দ্বিতীয়াংশে কৈশোরের ইচ্ছাগুলি,  মরে যায় অর্থ-বিত্তের নেশায়। শেষাংশ কাটে  কৈশোরের ইচ্ছাগুলি  অপূর্ণজনীত হতাশায়।  কি চাইলাম, আর কি পাইলাম,  ভাবতে ভাবতেই একদিন গন্তব্য এসে যায়। মন ; সে তো কালবৈশেখী পবণ, দুরন্ত অস্থির।  নির্ভীক পান্ডবরূপী তান্ডবে, সৈরাচারী বীর। নিজেকে নিজেই গড়ে, আবার ভাঙ্গে ক্লান্তিভরে। আপন মনে বিধ্বস্ত প্রকৃতি সাজে নিয়ম করে। ওহে প্রেম পিয়াসী মানবতার কবি; শুনো,  অস্তিত্বহীন কে কেন প্রেমের রূপক মানো? ঈশ্বর তোমার পাশেই আছে, চেননা কেন? নারী স্রষ্টা রূপেন ঈশ্বর প্রেম তার আনন। যতো রকমের পুষ্প কমল জানা অজানা,  দৃষ্টি নন্দন হলেও সকল ফুলে পূজা হয়না। প্রেম দিয়ে,প্রেম নিয়ে গড়েছে, প্রেমকানন।  নারীই ঈশ্বর ভবে; প্রেম তার অপূর্ব সৃজন।

20 November 2020

ছবি

নারী

 নারী!!! তোমায় দিবসে শ্রদ্ধার আবেশে, বানাচ্ছে পুজ্য দেবী। রজনী গভীরে, তাদের নজরে  কেবল ই যৌনসেবি। সর্বোচ্চ সন্মান দিয়েছে  কেউ বস্তা/ঘরবন্দী করে। আবার করেছে গন্য  বিক্রয়ের সেরা পন্য।  মাংসের রমরমা বাজারে। দর হাঁকায় হাজার ডলারে। কর্পোরেট দুনিয়ায় মুল্যবান তুমি পন্যের চেয়ে অধিক। তোমার রূপ দেখিয়ে নয়ন ধাঁধিয়ে,  লোটে মুনাফা। ধিক!!  হইওনা কারো হাতের গুটি  লোভে অর্থ-যশ-খ্যাতি। মানুষ হিসেবে তুমি ততটুকু ই যতটা একজন পুরুষ জ্ঞাতি। হাওয়ায় ফুলিয়ে, ভুলিয়ে ভালিয়ে, লোভের মুলো ঝুলিয়ে,  জানাচ্ছে তুমি অতি দামী।  অতি মূল্যয়ন সকল নষ্টের মুলে জীবনে নিয়ে আসবে সুনামী। নারী স্রষ্টা, নারী অন্তঃদ্রষ্টা, হতেই পারে কিছু পথভ্রষ্টা। নারী গড়তে পারে, করতে পারে সৃজন। যদি পায় সঙ্গপাশে কোন আপন সজ্জন। সে ভালবাসায় ফুটাতে পারে মরুতে কমল। ফের, তুলে ফনা-ছেড়ে বিষ, নষ্ট করে বিমল। সৃজিতে পারে সাধারনে কবিত্ব, ফুটিয়ে শতদল। ধ্বংসিতে পারে কাব্যপ্রতিভা ব্যায়ে খানিক ছল। সৃষ্টি চরাচরে সে রহস্যের আলো-আঁধারি। সকল কর্মে বর্মে ধর্মে সে প্রতিষ্ঠিত ঈশ্বরী। তুমি কন্যা তুমি জায়া তুমি হে জননী। করুক...

মধুর দংশন

এই ধরা মাঝে, কত নব সাজে,  বিরাজিত মানব মন। কেউবা কোমল, ভাবে বিমল, বুঝে তার যতন। ভাসে তরঙ্গে, জলধিরঙ্গে, স্বপ্নরাজ্য মাঝে। পুড়ে অন্তরে, নিভৃতে অন্দরে, প্রকাশে তো না যে। খেলুড়ে খেলে, হৃদয় মেলে  আপন অধিকারে। খেলার সামগ্রী, সে তো হতশ্রী বোবা ক্রন্দন করে। সেই তো ভাল!!  দংশিলে প্রবলে, এই ধবলে সবলে, সর্বাঙ্গ বিষে কালো। অজ্ঞাতে প্রদীপ জ্বেলে দিয়ে গেলে,  আঁধারি মাঝে আলো। সেই তো ভাল,  প্রচন্ড ভাল।  আশ মিটিল, খেদ টুটিল,  শীতল রক্তধারা। থামেনা গুপ্ত হাসি, প্রশান্ত চিত্ত রাশি,  হেরে তব কিশোরানন্দ ধারা। প্রকাশিলে তোমার মনের দুর্বলতা যবে,  জেনো তুমি তোমার অস্ত্রে ক্ষত-বিক্ষত হবে।

হেমলতা

হেমলতা!! সে যে আমার চিন্তাহরনী, রূপে লাবন্যে কমনীয়তায় চিত্তবিলাসিনী ভক্তিতে শক্তিতে বুদ্ধিমত্তায় প্রেমের পুজারিনী ঝরনার স্রোতধারার ন্যায় কুল কুলে সুহাসিনী প্রজ্ঞা মেধায় ভালবাসার বাণী যেন হৃদ রাগিনী চঞ্চলা হরিনীর মত ছুটে সে সুর ঝংকারিনী শাসনে বসনে আদেশে স্পর্ধিত তর্জনী। স্মরনে বরণে মরমে আমার স্বপ্ন চারিনী। কথায় আড্ডায় আলোচনায় অমৃত বর্ষনী। কর্মে, মর্মে, স্বপনে, জাগরনে সদা সঙ্গিনী। উন্মত্ততায়, রমনে, কামে অদম্য কামিনী। সকল প্রানে স্বপ্ন বোনে এমনি  অর্ধাঙ্গিনী।। ★নিজের দিকটা চেয়ে একবার চিন্তা করো নি? ©🖌️অনন্ত

ঈশ্বরী

পথ চলিতে পায়ে দলিত,  .     কত না তৃনলতা। তার ই মাঝে কদাচিত সাজে,  .     অনন্যা কনকলতা ছাইয়ের মাঝে যেমন রাজে  .      মানিক রতন। ক'জনা করে গুরুত্ব ভরে,  .      তাহার ই যতন। কয়লার খনিতে, নোংরা স্তরেতে  .      যেমন হীরের আবাস। রাজ প্রাসাদে রানীর গন্ডদেশে,  .      শোভিত ধনবিলাস। আলেয়ার পিছে ঘোরে সবে মিছে,  .      দেখেনা চেয়ে আশপাশে। অর্থ শ্রম ব্যায়ে হরেক যাতনা সয়ে, .      সুখ খুজে নেয় সাইপ্রাসে। চেয়ে দেখ প্রাতে অন্তর্দৃষ্টির সাথে, .       আপনার অতি কাছে। ঘাসফুল মাঝে শিশিরের সাজে, .        ঈশ্বরী মুচকি হাসে ।।